দিল্লিতে মেট্রো-ইন্টারনেট বন্ধ নিয়ে বিতর্ক! সুপ্রিম কোর্টে ক্ষমা চাইল কেন্দ্র
Connect with us

দেশের খবর

দিল্লিতে মেট্রো-ইন্টারনেট বন্ধ নিয়ে বিতর্ক! সুপ্রিম কোর্টে ক্ষমা চাইল কেন্দ্র

News Desk

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (Cockroach Janta Party) বিক্ষোভ ঘিরে ট্রেন-মেট্রো পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ, ইন্টারনেট বন্ধ এবং বিপুল সংখ্যক আধাসেনা মোতায়েন নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ ওঠার পর আদালতে হলফনামা দিয়ে নিজেদের পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিল কেন্দ্র ও দিল্লি পুলিশ। একই সঙ্গে নির্দেশ পালন করতে না পারার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব।

গত ১০ অক্টোবর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। অভিযোগ, কর্মসূচির আগে থেকেই দিল্লিগামী ট্রেন পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়, একাধিক মেট্রো স্টেশনে বিধিনিষেধ জারি হয় এবং রাইসিনা হিলের চার কিলোমিটার এলাকার মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় ব্যারিকেডের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত নিরাপত্তাবাহিনী।

Advertisement
ads ads

এর আগে আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, প্রতিবাদের কারণে রাজধানীর স্বাভাবিক জনজীবন (Public Life) ব্যাহত করা যাবে না। তা সত্ত্বেও একাধিক পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেন শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী।

দিল্লি পুলিশের দাবি, নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা (Law and Order) বজায় রাখতেই সাময়িক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল। পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমারও হলফনামা দিয়ে ক্ষমা চেয়েছেন বলে খবর। পুলিশের বক্তব্য, বেআইনি জমায়েত ঠেকাতে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। বিক্ষোভকারীদের বেআইনিভাবে আটক করার অভিযোগও অস্বীকার করেছে তারা।

Advertisement
ads ads

অন্যদিকে, দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (DMRC) জানিয়েছে, নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই কয়েকটি স্টেশনে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। রাত ১০টার মধ্যে মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিক হয় বলে হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।

কেন্দ্রের আরও আবেদন, বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশ সংশোধন করা হোক। ভবিষ্যতে এ ধরনের পদক্ষেপ আইন মেনেই করা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে কেন্দ্র।

Advertisement
ads ads

তবে কেন্দ্র ও পুলিশের ব্যাখ্যা দিলেই অভিযোগের নিষ্পত্তি হচ্ছে না। আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘন হয়েছিল কি না, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সুপ্রিম কোর্ট। এখন সেই রায়ের দিকেই নজর রয়েছে।

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads