দেশের খবর
ককরোচ জনতা পার্টির পর এবার ‘মাছি জনতা পার্টি’! ৭২ ঘণ্টায় নজরকাড়া জনপ্রিয়তা
ডিজিটাল ডেস্কঃ ‘আরশোলা’ বিতর্কের পর এ বার আলোচনায় ‘মাছি’! সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সমাজমাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘মাছি জনতা পার্টি’ (Makhi Janta Party বা MJP)। ব্যঙ্গাত্মক নামের এই উদ্যোগ অল্প সময়েই নজর কেড়েছে। মঙ্গলবার সংগঠনটির দাবি, মাত্র ৭২ ঘণ্টায় ইনস্টাগ্রামে তাদের অনুগামীর সংখ্যা ৩ লক্ষ ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিবাদ কর্মসূচিকে ঘিরে। বিক্ষোভের আগে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, একটি মাছি মারতে হাতুড়ি চালানোর প্রয়োজন নেই। তাঁর এই বক্তব্য থেকেই নতুন সংগঠনের নামকরণের ভাবনা এসেছে বলে জানিয়েছে এমজেপি।
সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা আরিয়ান নামে এক পড়ুয়া। বর্তমানে তারা একজন মুখপাত্রের খোঁজ করছে। এমজেপির বক্তব্য, কোনও রাজনৈতিক দলের বিরোধিতা করা বা নির্দিষ্ট দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া তাদের উদ্দেশ্য নয়। বরং নাগরিকের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষাই তাদের লক্ষ্য। তাদের স্লোগান, ‘তরুণদের দ্বারা, তরুণদের জন্য এবং তরুণদের।’
সিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করে যৌথ কর্মসূচির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার আগ্রহও প্রকাশ করেছে এমজেপি। পাশাপাশি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে যুক্ত নেত্রী নেহা বোরার সাহস ও দৃঢ়তার প্রশংসা করেছে তারা। তবে আন্দোলনের ক্ষেত্রে আইন মেনে চলার উপরেও জোর দিয়েছে সংগঠনটি।
যন্তরমন্তরে প্রতিবাদের সুযোগ এবং সিজেপির দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে আটক করার ঘটনা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এমজেপি। তাদের মতে, গণতন্ত্রে নাগরিকের বক্তব্য শোনা এবং সংলাপের সুযোগ থাকা জরুরি।
উল্লেখ্য, তরুণদের ‘ককরোচ’ বা আরশোলা বলে উল্লেখ করার অভিযোগ ঘিরে ব্যঙ্গের মাধ্যমে পরিচিতি পেয়েছিল সিজেপি। এ বার সেই পথেই ‘মাছি’কে প্রতীক করে সামনে এসেছে এমজেপি। তবে এই উদ্যোগ শুধুই সমাজমাধ্যমের প্রচারে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি বৃহত্তর আন্দোলনের রূপ নেবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
