হারিয়েছে পূর্বের জৌলুস, কিন্তু নিষ্ঠায় ছেদ পড়েনি চাঁচলের মিশ্র বাড়ির পুজোয়
Connect with us

মালদা

হারিয়েছে পূর্বের জৌলুস, কিন্তু নিষ্ঠায় ছেদ পড়েনি চাঁচলের মিশ্র বাড়ির পুজোয়

Dipa Chakraborty

Published

on

নিজস্ব সংবাদদাতা , চাঁচল , ১৫ অক্টোবর :  জমিদারি প্রথার বিলুপ্ত হয়েছে বহুদিন আগেই। ফলে পুজোয় নেই আগের মত জৌলুস কিংবা আড়ম্বর।তা বলে এতটুকুও
খামতি পড়েনি ভক্তি বা নিষ্ঠায়। এখনো প্রাচীন প্রথা মেনে দেবী দূর্গার আরাধনায় সামিল হন  চাঁচল ২নং ব্লকের গৌড়হন্ঠ গ্রাম পঞ্চায়েতের ডুমরো গ্রামের মিশ্র পরিবারের বাসিন্দারা।

উল্লেখ্য প্রায় দুশো বছর আগে স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই পুজো শুরু করেন এলাকার জমিদার গোলকনাথ মিশ্র। এখনো তার বংশধরেরা পুজো শুরুর সময়কালের রীতিনীতি মেনে পুজোর আয়োজন করে আসছে।প্রথম কাঠামোতেই এখনো দেবী প্রতিমা নির্মিত হয়। এছাড়াও পুরনো প্রথা মেনে দেবীর সামনে সাতটি পাঠাবলি দেওয়া হয়।সপ্তমীতে একটি, অষ্টমীতে দুটি এবং নবমীতে চারটি পাঠাবলি দেওয়া হয়।এক মিনিটের ব্যবধানে এই বলির অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।তবে নবমীতে আয়োজন করা হয় নরনারায়ণ সেবার।দশমীতে পরিবারের পুত্রবধু কুসুমকামিনীর নামাঙ্কিত জলাশয়ে দেবী প্রতিমার নিরঞ্জন দেওয়া হয়।

নিজস্ব চিত্র , চাঁচল

নিরঞ্জনকালে বাড়ির সকল পুরুষ সদস্যরা গায়ে তেল, হলুদ, সিঁদুর মাখে।বিসর্জন শেষে চলে মিষ্টিমুখের পালা।এই পুজোকে ঘিরে আনন্দে মেতে ওঠে পঞ্চায়েতের কৃষ্ণনগর,ডুমরো,ফুলবাড়ি সহ বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দারা। দশমীর দুঃখ ভুলতে মেলায় মেতে ওঠেন গ্রামবাসীরা।যদিও এবছর করোনা আবহে পাল্টে গিয়েছে সমস্ত ছবিই।বাতিল করা হয়েছে মেলা কিংবা অন্যান্য নানান অনুষ্ঠান। পাশাপাশি পুজো প্রাঙ্গনে প্রবেশের ক্ষেত্রেও থাকছে নানান বিধিনিষেধ। সরকারী নির্দেশ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবছর পুজোর আয়োজন করা হবে বলে জানা গিয়েছে পরিবারসুত্রে।