উর্ধ্বমুখী আলুর ফলন, তবুও দুশ্চিন্তায় চাষীরা
Connect with us

রায়গঞ্জ

উর্ধ্বমুখী আলুর ফলন, তবুও দুশ্চিন্তায় চাষীরা

Dipa Chakraborty

Published

on

আর সি টিভি সংবাদ , ১০ মার্চ :আলুর উৎপাদনের নিরিখে প্রতিবছরই উত্তর দিনাজপুর জেলা উল্লেখযোগ্য স্থান অধিকার করে থাকে। এবছরেও জমিতে ফলন দেখে শুরুতে বেশ উচ্ছ্বসিত ছিলেন চাষীরা। কিন্তু বিপনন কালে মুখের হাসি ম্লান হয়ে আসে। জেলায় বিপুল পরিমান আলুর ফলন হওয়ায় বাজারে আলুর দাম একেবারেই নেমে যাওয়ায় দুশ্চিন্তার কালো মেঘ তৈরী হয়েছে। জেলা কৃষি দফতর সূত্রের খবর, এবছরে উত্তর দিনাজপুরে ২৮ হাজার হেক্টর জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। উৎপাদিত ফলনের পরিমান ৮ লক্ষ মেট্রিক টন। তবে আলুর ফলন ভালো হলেও আশঙ্কা তৈরী হয়েছে জেলায় হিমঘরের ধারনক্ষমতা ঘিরে। জেলায় এখনও পর্যন্ত ৭ টি হিমঘর রয়েছে। যার মোট ধারন ক্ষমতা ১লক্ষ ১০ হাজার মেট্রিক টন।

 

আরও পড়ুন-মহার্ঘভাতার দাবিতে সরকারী কর্মীদের ধর্মঘট

 

Advertisement
ads

ফলে পর্যাপ্ত পরিমানে আলু মজুত সম্ভব হচ্ছে না হিমঘর গুলিতে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি একই ছবি রায়গঞ্জ ব্লকেও। রায়গঞ্জের হিমঘরে আলুর মজুতকরনের জন্য ভিড় করছেন চাষীরা। চাষীদের বক্তব্য, কিছু পরিমান আলু হিমঘরে রাখা গেলেও বাকী অধিক পরিমান ফলন হয় কম দামে বাজারজাত করতে হবে নয়ত বেশীরভাগটাই নষ্ট যাবে। বর্তমানে হাটে বাজারে খুচরো আলু বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৬ টাকা। পাইকারি ৩-৪ টাকা। যেখানে ১ বিঘা ফলন করতে খরচ হয় প্রায় ৩৫-৩৬ হাজার টাকা। সেখানে এই দামে আসল খরচই উঠবে না বলে দাবী চাষীদের। সেকারনে জেলায় আরও ৩-৪টি হিমঘর তৈরীর দাবী জানিয়েছেন। পাশাপাশি রাজ্য সরকার যদি আলুর কেনার প্রক্রিয়া শুরু করে তাহলে কিছুটা উপকৃত হবেন বলে দাবী চাষীদের।

 

আরও পড়ুন-হিমঘরে হুড়োহুড়ি ! আলুর বন্ড নিতে গিয়ে পদপিষ্ট ১৩

 

Advertisement
ads

আমরা কথা বলেছিলাম জেলার উপ কৃষি অধিকর্তা সফিক-উল-আলমের সাথে। সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন তিনি। অধিকর্তা বলেন, সব আলু হিমঘরে রাখার উপযুক্ত নয়। অশোকা, পোখরাজ সহ ৪ প্রজাতির আলুকে জমি থেকে সরাসরি বাজারজাত করতে হয়। কিছু আলু হিমঘরে মজুত রাখা প্রয়োজন। জেলায় হিমঘরের অভাবের বিষয়ে সহমত প্রকাশ করেছেন তিনি। তবে শীঘ্রই রাজ্যে সরকারি ভাবে গৃহীত প্রকল্প অনুসারে সহায়ক মূল্যে আলুর কেনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। তাতে উপকৃত হবেন চাষীরা। সেই সঙ্গে জ্যোতি আলু হিমঘরজাত করার প্রক্রিয়া নিয়েও এদিন আলুচাষীদের অবগত করেন উপকৃষি অধিকর্তা।