মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে শুরু হল চেক বিলি , তরজা বিজেপি - তৃণমূলের
Connect with us

রায়গঞ্জ

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে শুরু হল চেক বিলি , তরজা বিজেপি – তৃণমূলের

Dipa Chakraborty

Published

on

নিজস্ব সংবাদদাতা , রায়গঞ্জ , ১০ অক্টোবর :  একদিকে করোনা সংক্রমণ অন্যদিকে লকডাউনের কারনে সাধারন মানুষের জীবনে নেমে আসা অর্থনৈতিক সংকট -এই অভূতপূর্ব পরিস্থিতির মধ্যেই এবারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাঙ্গালীর শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজা। লকডাউনের ফলে কাজ হারিয়েছেন বহু মানুষ,বিরাট ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। এই পরিস্থিতিতে কী ভাবে পূজা করা সম্ভব তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন পুজো উদ্যোক্তারা।

বিষয়টি নিয়ে এরপর তৎপর হন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। নবান্ন থেকে তিনি ঘোষনা করেন করোনা পরিস্থিতিতে মানুষ চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। তাই অনেক ব্যাবসায়ী ও সাধারন মানুষ চাঁদা দিতে পারবেন না। সেকারনে পুজোকমিটি গুলিকে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেবে সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর সেই নির্দেশ মেনে উত্তর দিনাজপুর জেলায় শুরু হয়েছে কমিটি গুলিকে চেক বিলির কাজ। শনিবার জেলার অন্যান্য প্রান্তের পাশাপাশি রায়গঞ্জ থানা প্রাঙ্গনে চেক বিলি কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। রায়গঞ্জ থানার আই সি সুরজ থাপা, পুর চেয়ারম্যান সন্দীপ বিশ্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান অরিন্দম সরকার সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যাক্তিরা অনিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই রায়গঞ্জের পুজোকমিটিগুলিকে চেক প্রদান করা হয়েছে। এদিন রায়গঞ্জের তিনশোটি পুজোকমিটির হাতে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে চেক তুলে দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন পুজো কমিটির সদস্যরা। তবে এই চেক বিলি নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে। বিজেপির জেলা সভাপতি বিশ্বজিত লাহিড়ী বলেন,” পূজাতে অনুদানের নামে ক্লাবগুলোকে টাকা দিয়ে নিজের দিকে আনতে চাইছে মুখ্যমন্ত্রী। তবে মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্দেশ্য সফল হবে না।আগামী বিধানসভা নির্বাচনে উত্তর দিনাজপুর জেলার মানুষ তৃনমূল কংগ্রেসকে প্রত্যাখ্যান করবে। নির্বাচনে ভরাডুবির আশংকা থেকেই মুখ্যমন্ত্রী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। 

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের রায়গঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের কো অর্ডিনেটর অরিন্দম সরকার বলেন,” বিজেপি নির্বাচনে প্রতিবার মানুষকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছে। কিন্তু তৃণমূল মানুষের পাশে থেকে রাজনীতি করে। করোনা আবহে বিভিন্ন ক্ষেত্রের অসহায় মানুষদের রাজ্য সরকার সাহা্য্য করেছে। এই পরিস্থিতিতে পুজোকমিটি গুলি যাতে পুজো করতে পারে, ব্যাবসায়ীদের উপর যাতে চাঁদার চাপ না পরে,সেকারনেই মুখ্যমন্ত্রী আর্থিক সাহা্য্যের ঘোষনা করছে। বিজেপির অভিযোগ ভিত্তিহীন।

Continue Reading
Advertisement